img

মার্কেটিং VS প্রোগ্রামিং কোনটি আপনার জন্য ?

/
/
/
143 Views

জি আপনাকে বলছি, আর্টিকেলটি পড়ার আগে ওয়াস্রুমে যাওয়া লাগলে বা ইম্পরট্যান্ট কোন কাজ থাকলে সেরে নিন। কারন এই বিশাল লেখাটি হজম করতে আপনার বেশ কিছু সময় দিতে হবে ।
কথা দিচ্ছি লেখটি পড়ার পর বুঝতে পারবেন আপনার কোন লাইনে যাওয়া উচিত । আর কোন লাইনে ইনকাম ই বা কেমন 😛

মার্কেটিং ঃ শব্দটা শুনতে ছোট মনে হলে এর মদ্ধে অনেক কিছু আছে । তবে শুধু মার্কেটিং থেকে ইনকাম বলতে টুকু বলা যাই কোন প্রোডাক্ট বা সার্ভিস প্রচার এর মাধ্যমে
বিক্রি করে যে অর্থ পাওয়া যাই সেটাই মার্কেটিং । তবে এ ক্ষেত্রে প্রোডাক্ট যদি অন্নের হই তবে সেই প্রোডাক্ট এর একটা কমিশন পাওয়া যাই ।
যেমন অ্যামাজন Affliate ।

কি কি লাগবে ঃ ইচ্ছা আর পরিশ্রম জি এই ২ টা হলে বাকিটা এমনি হয়ে যাবে । সব কিছুরই একটা স্ট্যান্ডার্ড আছে আর রুলস ও আছে । সেক্ষেত্রে মার্কেটিং
করতে গেলে একটা ওয়েব সাইট থাকা জরুরী। তবে সেটা নির্ভর করবে আপনি কি নিয়ে কাজ করবেন সেটার ওপর । যেমন আপনি যদি Teesping, youtube
নিয়ে কাজ করেন তাহলে কোন ওয়েবসাইট লাগবে না , আবার অ্যামাজন নিয়ে কাজ করলে লাগবে ।

কিভাবে শুরু করব ঃ মার্কেটিং শুরু করার আগে SEO নিয়ে পড়াশুনা করতে হবে । সার্চ ইঞ্জিন কিভাবে কাজ করে ,ওয়েবসাইট বা আর্টিকেল কিভাবে রাঙ্ক করে,
কিভাবে ট্রাফিক পাওয়া যাই, ইত্যাদি । এর পর কোন মার্কেট প্লেস এ কাজ করবেন কি প্রমোশন করবেন সেটা ঠিক করতে হবে । যেমন ধরুন ঃ অ্যামাজন , টিস্প্রিং ,
আলাবাবা আরও অনেক আছে । এবার ওই সকল মার্কেট প্লেস কিভাবে কাজ করে তাদের affliate সিস্টেম কি , কমিশন কত, কিভাবে পে করে, কি কি রুলস আছে
সব জানতে হবে । গুগল মামা সব জানে একটু জিগ্যেস করলে সব বলে দিবে । গুগল মামার লেখা পরে বুঝতে সমস্যা হলে , youtube আছে ।

ইনকাম কেমন ঃ আমজনতার প্রশ্ন ইনকাম কত ? কবে ইনকাম শুরু হই কে কত ইনকাম করে ? একটা বাস্তব কথা হল ইনকাম টা আপনার স্কিল আর
পরিশ্রম এর সমানুপাতিক । আপনি যেমন শ্রম দিবেন ইনকাম টা তেমন হবে । আবার সঠিক ভাবে শ্রম না দিলে ইনকাম যে হবে না সেটা ও স্বাভাবিক ।
আসল কথাই আসি আপনি, যদি অ্যামাজন নিয়ে কাজ করেন তবে সব কিছু ঠিকঠাক ভাবে হলে , ইনকাম আসতে ৩-৬মাস বা ১ বছর ও লাগতে পারে । আবার
teespring, youtube নিয়ে কাজ করলে । ১-২ মাসেও ইনকাম আসা করতে পারেন , তবে পুরটাই আপনার স্কিল আর শ্রম এর সমানুপাতিক 😛
মার্কেটিং করে মাসে ১০০-১০০০০ ডলার ইনকাম করে এমন মানুষ বাংলাদেশ এই আছে । তবে সঠিক ভাবে শ্রম না দিলে ১০০ কেন ১ ডলার ও যে পকেটে আসবে
না সেটা ও মনে রাখবেন ।

প্রোগ্রামিং ঃ শুনলেই ভেতরে অন্যরকম একটা ফিলিংস কাজ করে । প্রোগ্রামার হব সফটওয়্যার বানাবো আহা 🙂 , । কাজের ক্ষেত্রে সব সেক্টর ই অনেক বিশাল
তবে আমার মতে প্রোগ্রামিং টা একটু বেশি। কারন একজন প্রোগ্রামার হতে গেলে সব বিসয় জানতে হই। যেমন ধরেন একজন প্রোগ্রামার একটা কিওয়ার্ড রিসার্চ
টুলস বানাবে, সে যদি কিওয়ার্ড রিসার্চ কি না জানে তাহলে কিভাবে বানাবে । যাইহোক কাজের কথাই আসি প্রোগ্রামিং করতে হলে CSE তে পরতে হবে এমন
আষাঢ়ে গল্প অনেকে সুনে থাকবেন । আসলে আগ্রহ থাকলে যে কেউ প্রোগ্রামিং এ আসতে পারে । সি, সি++, জাভা, পাইথন, পিএইচপি, জাভাস্ক্রিপ্ট আরও অনেক
প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ আছে। যেকোনো একটা ভাল ভাবে শিখলে ভাল ক্যারিয়ার করা পসিবল। আর একটা ভাল পারলে অন্য গুলা সিখতে বেশি টাইম লাগে না ।

কি কি লাগবে ঃ আগে অ বলেছি আবার বলছি ইচ্ছা আর প্রচুর পরিশ্রম জি এই ২ টা হলে বাকিটা এমনি হয়ে যাবে । প্রোগ্রামিং করার জন্য মিড লেভেল এর একটা কম্পিউটার হলেই হবে আর ইন্টারনেট এর কথা নাই বল্লাম 🙂 । আর হ্যাঁ আপনার লজিক যদি
ভাল না হই, math যদি ভাল না বুঝেন তবে থেমে থাকার কোন দরকার নেই 😛 । আপনার যদি ইচ্ছা থাকে আপনি পারবেন সুধু একটু বেশি শ্রম দিতে হবে এই 🙂

কিভাবে শুরু করব ঃ গুগল মামা আর youtube এর পেট থেকে জা পারেন বের করেন পড়াশুনা শুরু করে দেন । যেকোনো একটা ল্যাঙ্গুয়েজ নিয়ে প্রাকটিস
করেন । নানা ধরনের প্রোগ্রামিং রিলেটেড সমস্যা সমধান করেন । বিভিন্ন সোশ্যাল গ্রুপ এ সমস্যা নিয়ে পোস্ট করুন পারলে অন্নদের সমস্যা সমাধান করেন দিন ।
ধিরে ধিরে দেখবেন আপনার প্রোগ্রামিং স্কিল বারতে থাকবে । এবার আপনার প্রগামিং রিলেটেড কিছু প্রোজেক্ট করে ফেলুন । এই ধরুন যদি আপনি ওয়েব প্রোগ্রামিং
করেন তবে , school management,office management ইত্যাদি প্রোজেক্ট করেন ফেলুন । নতুন নতুন ফিচার অ্যাড করুন । যদি Android App
Developer হন তবে কিছু অ্যাপ বানিয়ে প্লে স্টোরে দিন ।

ইনকাম কেমন ঃ আসল কথা 😛 যদি মার্কেট প্লেস এ কাজ করেন একজন ভাল প্রোগ্রামার এর ইনকাম ঘণ্টাই ৫-১৫০ ডলার বা তার বেশি বা কম হই।
নিজের অ্যাপ বা সফটওয়্যার বানিয়ে সেল করতে পারেন । আর সব থেকে বড় কথা লোকাল জব মার্কেট এ প্রোগ্রামার এই চাহিদা অনেক বেশি । বাংলাদেশ এর
প্রেক্ষাপটে আপনি ভাল প্রোগ্রামার হলে ৩০,০০০-২০০০০০লাখ টাকা বেতনে জব পেতে পারেন 🙂 । আর যদি ওয়ার্ল্ড অয়াইড চিন্তা করি তবে facebook বা
google এর কিছু সফটওয়্যার ডেভেলপার এর বেতন মাসিক ১ কোটি টাকার মত ।

আসলে আপনি যেটা নিয়ে কাজ করেন করেন না কেন পরিশ্রম করলে যেকোন সেক্টরে অন্নদের থেকে এগিয়ে যাওয়া কোন বেপার না। হক সেটা মার্কেটিং বা প্রোগ্রামিং
ক্যারিয়ার টা সম্পূর্ণ আপনার নিজের 🙂 আপনার কি ভাল লাগে সেটা আপনাকেই জানতে হবে । অন্যরা কি করছে কার কত ইনকাম সেটা দেখে কোন লাভ নাই ।
কারন আপনি কারও জাইগাই জেতে পারবেন না আবার আপনার জাইগাই কেউ আসতে পারবে না । লেখাই ভুল হওয়া স্বাভাবিক 😛
আসলে মার্কেটিং বা প্রোগ্রামিং ২টাই অনেক বিশাল জগত । সামনে একদিন লিখব মার্কেটিং বা প্রোগ্রামিং এর কোন একটা পার্ট সিখেও কিভাবে আরনিং করা যাই
সেটা নিয়ে । চোখ রাখুন ByteCode এর পর্দাই 😛 সরি পেইজে ।

  • Facebook
  • Twitter
  • Google+
  • Linkedin
  • Pinterest

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

It is main inner container footer text