img

Learn Basic Programming With ByteCode

/
/
/
52 Views

Learn Basic Programming With ByteCode

কেন প্রোগ্রামিং?

কেন প্রোগ্রামিং এর উত্তর দেওয়ার আগে একটা প্রশ্ন করা যাক, কেন প্রোগ্রামিং নয়?
আচ্ছা, কেমন হত যদি না কম্পিউটার থাকত? যদি না ইন্টারনেট থাকত? যদি না ফেসবুক থাকত? আর যদি গুগল না থাকত তাহলে কি হতো? কিভাবে আমরা আমাদের এসাইনমেন্ট গুলো খুজে বের করতাম?

গেমস, কম্পিউটার সফটওয়ার, মোবাইল এপলিকেশন, ওয়েব পেইজ যাই হোক না কেন সব জাগায় প্রোগ্রামিং। এটা তো কম্পিউটার বা কম্পিউটার রিলেটেড। অন্য কিছুর দিকে যদি তাকিয়ে দেখি, গাড়ি, এরোপ্লেন, মহাকাশ যান, মেডিকেল ডায়াগনসিস মেশিন, মাইক্রোওয়েব ওভেন, লিফট, গড়ি, ক্যালকুলেটর সহ সকল ইলেক্ট্রনিক্স যন্ত্রতেই প্রোগ্রামিং এর ব্যবহার রয়েছে।

মানুষ নিজেদের ভাষা ব্যবহার করে একজন আরেক জনের সাথে যোগাযোগ করার জন্য। মেশিনের সাথে মানুষের যোগাযোগ করার জন্য ও একটা ভাষা দরকার, সে ভাষা হচ্ছে প্রোগ্রামিং। মেশিনের সাথে যোগাযোগ, এক্সাইটিং না?

 

প্রোগ্রামিং জানাটা এক্সাইটিং থেকেও আরো বেশি কিছু।

 

বুঝাই যাচ্ছে প্রোগ্রামিং কত গুরুত্ব পূর্ন। এক এক জাগায় এক এক ধরনের কাজ কর্ম করতে হয়। কাজ করার পদ্ধতি ভিন্ন, তাই প্রোগ্রাম গুলো ও ভিন্ন। আবার এই ভিন্ন ভিন্ন প্রোগ্রাম তৈরি করার জন্য রয়েছে অনেক গুলো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। এখানে একটূ ক্লিক করে দেখলেই হবে কত গুলো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ রয়েছে।

 

এত গুলো প্রোগ্রামিং থাকতে সি কেন?

 

সি হচ্ছে অন্য সকল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর ব্যাসিক। এটি খুবি সহজ একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ। সি থেকেই পরবর্তীতে অনেক গুলো পোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এর উৎপত্তি হয়েছে। যেমন C++, Java, C#, PHP ইত্যাদি। সি জানলে সে গুলো সহজেই জানা যায়।

প্রোগ্রামিং এর মৈলিক সকল বৈশিষ্ট গুলো সিতে রয়েছে। সকল প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এ মৈলিক বৈশিষ্ট গুলো ফলো করে।
কম্পিউটার অপারেটিং সিস্টেমের কোর বা প্রান হচ্ছে কার্নেল। Windows, Unix বা Linux এর কার্নেলের বেশির ভাগ কোড লেখা হয়েছে সি দিয়ে। কেউ যদি সি ভালো পারে, নিজের একটা অপারেটিং সিস্টেম তৈরি করার স্বপ্ন সহজেই দেখতে পারে।

নতুন নতুন ডিভাইস গুলোর জন্য ড্রাইভার লাগে। এ ড্রাইভার সফটওয়ার গুলো প্রায় সময়ই সি প্রোগ্রামিং দিয়ে লেখা। কারন সি এর পয়েন্টার দিয়ে হার্ডওয়ার এবং সফটোয়ার এর মধ্যে যোগাযোগ করা যায়।

সি হচ্ছে middle level language। তিন প্রকার প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ রয়েছে। High Level, Middle Level & Low Level. High Level ল্যাঙ্গুয়েজ দিয়ে ইউজার ব্যবহার করে এমন প্রোগ্রাম গুলো তৈরি করা হয়। Low Level প্রোগ্রামিং দিয়ে সফটোয়ার এবং হার্ডওয়ার এর মধ্যে যোগাযোগের কাজ করা হয়। আর সি হচ্ছে High Level এবং Low Level এর মিশ্রনে তৈরি। যা দিয়ে দুই কাজই করা যায়। আরো অনেক গুলো কারন রয়েছে কেন সি প্রোগ্রামিং শেখা জরুরী। এই লিংকে  গিয়ে পড়তে পারেন।

কোর্সের শিরোনামঃ

 

Learn Basic Programming (C, C++) With Byte Code। অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন। 

 

কোর্সের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা।

 

বিগত বেশ কয়েকবছর ধরে বাংলাদেশের স্কুল-কলেজ পর্যায়ের ছেলেমেয়েদের নিয়ে ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সেখান থেকে দল বাছাই করে আন্তর্জাতিক ইনফরমেটিক্স অলিম্পিয়াডে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ এবং বেশ কয়েকটি মেডেলও নিয়ে এসেছে এই প্রতিযোগিতা থেকে। কিন্তু সারা দেশে ছয়টি বিভাগে বিভাগীয় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হলেও সেখানে অংশগ্রহন খুবই কম। বাংলাদেশের স্কুল-কলেজের হাজার হাজার শিক্ষার্থী এখন কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহার করলেও কেবলমাত্র প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ না জানার কারণে এমন একটি আনন্দদায়ক বিষয় থেকে আমাদের ছেলেমেয়েরা বঞ্চিত হচ্ছে। তাই তাদেরকে প্রোগ্রামিংয়ের সাথে পরিচয় করিয়ে দেবার জন্যই আমাদের এই কোর্সের আয়োজন। আমাদের ফেসবুক গ্রুপ। এই কোর্স থেকে যারা ভালো  করবে তাদের নিয়ে প্রোগ্রামিং টীম গঠন করা হবে এবং তাদের নিয়ে প্রফেশনাল কাজ করা হবে।

 

কাদের জন্য কোর্স।

স্কুল ও কলেজের অথবা ভার্সিটির শিক্ষার্থীদের জন্য এই কোর্স। পঞ্চম শ্রেণী বা তার উপরের ক্লাসের শিক্ষার্থীরা সহজেই কোর্সটি করতে পারবে। তবে কোর্সটি সমানভাবে কাজে আসবে প্রোগ্রামিংয়ে একেবারেই নতুন যে কারো।

 

কোর্সে কয়টি লেকচার থাকবে।

কোর্সে মোট ১২ টি ক্লাস থাকবে। প্রতি ক্লাসে ৫০ থেকে ৬০ মিনিটের ভিডিও লেকচার থাকবে। প্রতি সপ্তাহে দুটি করে ক্লাস হবে।

 

লেকচারগুলোর বর্ণনা/কোর্সের সিলেবাস

 

ক্লাস ০১ – প্রোগ্রামিং পরিচিত, ভেরিয়েবল ও ডাটা টাইপ

ক্লাস ০২ – কন্ডিশলান লজিক

ক্লাস ০৩ – লুপ

ক্লাস ০৪ – ফাংশন, অ্যারে

ক্লাস ০৫ – স্ট্রিং

ক্লাস ০৬ – ফাইল ও স্ট্রাকচার

ক্লাস ০৭ – Records , Pointer, Linked List, stack , queues, Tree

ক্লাস ০৮ – Object Oriented Programming concept Introduction

ক্লাস ০৯ – Class and object working methodology

ক্লাস ১০ – Properties/data member and Methods of class

ক্লাস ১১ – এক্সসারসাইজ

ক্লাস ১২ – এক্সসারসাইজ + প্রবলেম সল্ভিং।

 

 

কোর্স কবে থেকে শুরু হবে? কয় সপ্তাহ চলবে?

 

এই কোর্সটি আমরা ১৫ মে ২০১৬ হতে শুরু করতে চাই, ৬-৮ সপ্তাহ চলবে, আর কোর্সের সবগুলো ভিডিও একসাথে ডিভিডি আকারে কিনতে পারবেন আমাদের সাইট হতে।

 

কোর্স শিক্ষকের সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

 

Mashfiq Nahid: সি এস ই ( ৪র্থ বর্ষ ) বাংলাদেশ নাশনাল ইউনিভার্সিটি ( ঢাকা সিটি কলেজ) ওয়েব প্রোগ্রামার এবং পিএইচপি এক্সপার্ট । বর্তমানে তিনি ফ্রিলান্সার হিসেবে কাজ করছেন এবং ২০১৪ সালে এসি এম আইসিপিসি-র ঢাকা বাছাই পর্বে অংশগ্রহন করেছেন।

কোর্স ফি

 

মাত্র ৫৫০০ টাকা। আসন সংখ্যা মাত্র ১০ টি। কোন স্কুল / কলেজ / ইউনিভার্সিটি হতে বিশেষ টীম করে আসতে চাইলে স্পেশাল ভাবে সময় দেয়া হবে তাদের সুবিধা অনুযায়ী। এই কোর্স থেকে যারা ভালো  করবে তাদের নিয়ে প্রোগ্রামিং টীম গঠন করা হবে এবং তাদের নিয়ে প্রফেশনাল কাজ করা হবে।

অনলাইনে রেজিস্ট্রেশন করতে এখানে ক্লিক করুন। 

  • Facebook
  • Twitter
  • Google+
  • Linkedin
  • Pinterest

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

It is main inner container footer text